ফারহিন মণির জন্মদিন

ডিসেম্বরে বয়ে যায় শীতের বাতাস,

কুয়াশায় ভরা ছিল ঢাকার আকাশ।

২০০৮ সালের দোসরা ডিসেম্বর,

আমাদের ঘরে এলো অনিন্দ্য সুন্দর।

১৪১৫ সালের অগ্রহায়ণ মাসে

১৮ তারিখ পড়ে মঙ্গলবারে এসে।

১৪২৯ হিজরী সালের শেষ চাঁদ এলো,

৩রা জিলহজ্জ্ব দিনে খুকু জন্ম নিলো।

প্রথম ক্রন্দন ধ্বনি পশিল কর্ণকুহরে,

সেই ধ্বনি শুনে সবে দোয়া দরূদ পড়ে।

হেমন্তের ঘুম ভাঙা প্রথম প্রহরে,

ঘড়ির কাঁটা তখন দশটার ঘরে।

খুকুমণি কেঁদে বলে আমি এসেছি,

সকলের সাথে মোর রাখি বেঁধেছি।

এসো এসো খুকুসোনা এসো মোর ঘরে,

স্বাগত জানাই সবে আবেগে আদরে।

তোমার কান্না,কান্না তো নয় সুখের বারতা বলে,

চেয়ে দেখি খুকুমণি দোলে বাবার কোলে।

ফুলের কুঁড়ির মতন মুখখানি তার দেখে,

আশীর্বাদের পরশ দিয়ে কোলে নিলাম ঢেকে।

কুয়াশার চাদর তুলে দেখি তার মুখ,

অপার আনন্দে মোর ভরে গেল বুক।

একয়টি মাস, খুকু ছিল মায়ের সঙ্গে মিশে,

এবার যে এসে গেল নতুন একটি দেশে।

বড় হয়ে শুনতে পাবে জন্মকথা তার,

বুঝতে পারবে কি সম্পর্ক মায়ের সাথে তার।

কদিন পরে এলো সময় নামকরণের দিন,

মা বলেন তার কন্যার নাম হবে ফারহিন ।

নামটি তার বড়ই মধুর অর্থটিও ভাল,

সুখ সমৃদ্ধির আলো দিয়ে ঘর করবে আলো।

তোমরা সবাই প্রাণ ভরে করো আশীর্বাদ,

ফারহিন যেন সারা জীবন পায় সাধুবাদ।

জন্ম হোক ধন্য ফারহিন, জীবন হোক অনন্য,

নিজেকে ফুটিয়ে তোল সকলের জন্য ।।

 

ফিরোজা হারুন (দাদী)

ফারহিনের একমাস পূর্তি উপলক্ষ্যে রচিত

২রা জানুয়ারি,২০০৯ , ভোর ৩টা৩০